শেরপুরে আ’লীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও ভাংচুর ॥ বিএনপির ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা shomoybd24

সম্পাদক-প্রকাশকঃ মারুফুর রহমান ফকির
বুধ, 06.09.2017 - 10:21 PM
Share icon
প্রকাশকাল: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
ব্রেকিং নিউজ / শেরপুর | প্রকাশক- সময় নিউজ ডেস্ক ঃ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের পল্লীতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের অভিযোগে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোঃ হযরত আলীকে প্রধান আসামী করে দলীয় ৮০/৯০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী হামিদুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় ওই মামলা দায়ের করেন।
মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী এবং বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন দুলালসহ ২৯ দলীয় নেতা-কর্মীকে স্ব-নামে ও আরও অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনকে আসামী করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।জানা যায়, ৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের কুমড়ারচর আদর্শ গ্রামে স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীর উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ওই অনুষ্ঠানস্থলের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা বিএনপি নেতা-কর্মীরা স্থানীয় জঙ্গলদী দশানি বাজার তিন রাস্তা মোড়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এতে আব্দুল হান্নান, হুমায়ুন মিয়া, সাঈদ মিয়া, মাহমুদুল, সুমন, বকুল ও আনিস মিয়াসহ গুরুতর আহত হয়। ওই অবস্থায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা মামুন মিয়া, মোতালেব মিয়া, ছামিদুল ইসলাম, জলিল মিয়া, ওমর আলী ও শফিকুল ইসলামসহ ৮/৯ আওয়ামী লীগ সমর্থকের দোকান-পাটে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। পরে গুরুতর আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মারপিট ও ভাংচুরের ঘটনায় বিএনপি নেতা হযরত আলীসহ কয়েকজনকে আসামী করে একটি মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্তের পাশাপাশি আসামীদের গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে। অন্যদিকে বলাইরচর এলাকায় বিএরপি আয়োজিত ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদানের অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী বলেন, ওই দিন বিএনপি-আওয়ামী লীগের সাথে কোন মারামারি হয়নি। ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের স্থান থেকে অনেক দুরে স্থানীয় গ্রামবাসীর ২ গ্রপের সংগষে্র  ঘটনা ঘটেছে। আর সেটাকে পুজি করে আমাকেসহ স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামল দেওয়া হয়েছে।
Share icon