শেরপুর বিএনপির নতুন কমিটিতে দিদারুজ্জামান সিদ্দিকীর মূল্যায়ন চান তৃণমূল নেতাকর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার
মঙ্গল, 04.08.2026 - 10:29 PM
Share icon
Image

মো: মারুফুর রহমান, শেরপুর: শেরপুর জেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে। এ প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানাচ্ছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের আলোচনায় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে শেরপুর শহর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. দিদারুজ্জামান সিদ্দিকী (দিদার)-এর নাম।

দলীয় সূত্র ও নেতাকর্মীরা জানান, ছাত্রজীবন থেকেই দিদারুজ্জামান সিদ্দিকী বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। রাজনৈতিক জীবনে তিনি ২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি, শেরপুর শহর ছাত্রদলের সভাপতি, জেলা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক, শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি শেরপুর শহর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং শেরপুর জেলা ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিরোধী দলে থাকাকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, মিছিল-সমাবেশ ও দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা হয়। তাদের ভাষ্য, প্রায় ৩০টি মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হন তিনি।

নেতাকর্মীদের মতে, দলের কঠিন সময়ে মাঠে থেকে সংগঠনকে সক্রিয় রাখা, কর্মীদের পাশে থাকা এবং দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কারণে দিদারুজ্জামান সিদ্দিকী একজন পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তাই নতুন জেলা কমিটিতে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে দল সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা মনে করেন।

পারিবারিকভাবেও তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাঁর মা মোছা. দিলারা নাজনীন শেরপুর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী ছিলেন।

এ বিষয়ে দিদারুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, “আমি কখনো পদ-পদবির প্রত্যাশায় রাজনীতি করিনি। ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির আদর্শ ধারণ করে দলের জন্য কাজ করেছি। ভবিষ্যতেও দলের প্রয়োজনে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই। দল যে দায়িত্ব দেবে, তা আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। নতুন কমিটিতে মূল্যায়নের বিষয়টি সম্পূর্ণ দলের নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত, আমি সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই।”

এদিকে, জেলা বিএনপির নতুন কমিটি বা সম্ভাব্য পদায়ন নিয়ে এখন পর্যন্ত দায়িত্বশীল নেতাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দলীয় সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই নতুন জেলা কমিটি ঘোষণা করা হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হয়নি।

Share icon